পর্ব-১
কেরানীগঞ্জের সিটি ইন্টারন্যাশলান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নবুয়াতের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে।
সরেজমিনে তদন্ত ও ভুক্তভোগীদের মতামত নিয়ে জানা যায়,কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা আগানগর এলাকার আরজু টাওয়ারে অবস্থিত সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজটি শিক্ষার নামে দুর্নীতির বাণিজ্যের শীর্ষে রয়েছে।এর মূল হোতা নবুয়াত
কৌশলের শিক্ষার বিভিন্ন উপায়ে চলছে চাঁদাবাজি। ভর্তি বাণিজ্য ও ফরম ফিলাপের নামে চাঁদাবাজি।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক অভিযোগ করেন সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ এমন শিক্ষকদের দিয়েও শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে , শিক্ষার মান একেবারেই নগণ্য।
কেন একজন শিক্ষার্থীকে প্রতিবছর নতুন করে ভর্তি হতে হবে?
পৃথিবীর কোন দেশে এমন অযৌক্তিক ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে আপনার শিশুদের নিয়ে পেতেছে মরণফাঁদ।সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের প্রফেসর নবুওয়াতের শুধু দরকার টাকা,টাকা হলেই শিক্ষার মান ভালো থাকবে আর টাকা না থাকলে শিক্ষার মান যা হবে সেটা দেখার বিষয় তার না।এমনিভাবে ক্ষোভ ঝাড়লেন স্থানীয় আরেকজন সমাজ সেবক রফিকুল আলম।
বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমলে নবুওয়াত কাউকে তোয়াক্কা না করে আরজু টাওয়ার নামক ভবনে যাচাই-বাছাই না করে খুলে বসেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।ভবনটি বসবাসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ সেখানে সাধারণ কোমলমতি শিক্ষার্থীদের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে বলে জানা যায়। আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে এলাকার অভিভাবকদের বাধ্য করতো তাদের ছেলেমেয়েদের এই স্কুলে ভর্তি করাতে । আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনীর ভয়ে অভিভাবকরা তাদের বাচ্চাদের সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে ভর্তি করতে বাধ্য হতো ।অভিভাবকদের গলায় পা দিয়ে নেওয়া হয় ভর্তি ফি সহ বিভিন্ন রকমের ফি।আর এর সবকিছুর মূল হোতা অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ নবুয়াত। সিটি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজে প্রতিবছরে দুই থেকে আড়াই কোটি টাকা ভর্তি ফি বাবদ আদায় করেন নবুয়াত। এ যেন আলাদিনের চেরাগ পেয়েছেন, অভিভাবকদের গলায় পা দিয়ে বাচ্চাদের ভর্তি করে অবৈধভাবে নেয়া টাকা দিয়ে করেছে বাড়ি, গাড়ি রয়েছে নামে বেনামে জমি ও ব্যাংকে অনেক টাকা।
বিগত ফ্যাসিস্টের আমলে নবুয়তের হাতিয়ার ছিলো আওয়ামী লীগের টিটু এবং মাহমুদ, এদেরকে ব্যবহার করে ও ইস্কুলের যে কোন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বানিয়ে তাদের ডিসপ্লেতে এনে অভিভাবকদের হুমকি ধামকি এবং প্রাইভেটের নামে বড় ধরনের টাকা নিতো।
এব্যাপারে মুঠোফোনে তার সাথে কথা বললে,তিনি আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী টিটু মাহমুদ কে সাথে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের কথা স্বীকার করেন।কৌশলে প্রতিবেদক তার মুখ থেকে বের করে আনেন তিনি টিটু মাহমুদকে সাথে নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন অনিয়ম করেছেন।
ভুক্তভোগী অভিভাবকদের দাবি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে এই স্কুলের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।